You are here
Home > লাইফস্টাইল > ইন্টারনেটে সম্পর্কে জড়ানোর আগে যেভাবে অপর পক্ষের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন..

ইন্টারনেটে সম্পর্কে জড়ানোর আগে যেভাবে অপর পক্ষের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন..

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এবং জুটি বাঁধার ওয়েবসাইটের ছড়াছড়িতে নারী ও পুরুষদের একটি বড় অংশই ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচিত হচ্ছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা জানান এই পদ্ধতি যতই সহজ তত ঝামেলারও। সামান্য অসাবধান হলে ঘটতে পারে অনেক বিপদ।

ইন্টারনেটে সম্পর্কে জড়ানোর আগে কীভাবে অপর পক্ষের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে সেই পরামর্শ দিয়েছে সম্পর্কবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট—

গোয়েন্দাগিরি: ইন্টারনেটে পরিচয়ের সূত্র ধরে কারও সঙ্গে দেখা করার আগে তার সম্পর্কে কিছু তথ্য গুগল থেকে নিয়ে নেওয়া যেতে পারে। গুগলে নির্দিষ্ট ব্যক্তি সম্পর্ক খোঁজ করলে তার পেশা, কাজ ইত্যাদি সম্পর্কে কিছু তথ্য পাওয়া যেতে পারে। একদম কিছু না হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর প্রোফাইল খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক প্রবল। এইগুলোতে গিয়ে একজন মানুষের সম্পর্কে একটা বেশ অনেক তথ্য পাওয়া যেতে পারে। যেমন: তার পছন্দ-অপছন্দ, রাজনৈতিক মতবাদ, মানুষ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি। যদি প্রশ্ন তোলা যায় এমন কোনো বিষয় সামনে আসে তবে সম্পর্ক এখানেই শেষ করা উচিত।

সামনা-সামনি দেখা হওয়ার আগে গুপ্তচরগিরি করলেও প্রথম দেখাতেই সেই কথা জানিয়ে দেওয়ার মতো বোকামি আবার করা যাবে না। ধারণার সঙ্গে প্রথম দর্শনে বিস্তর অমিল থাকতেই পারে, তাই বলে ধারণা ভুল এটা ভাবারও কিছু নেই। কিছুদিন সময় নিলে সমস্ত বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা যাবে।

ক্ষুদে বার্তার বড় যোগ: সারাদিন কথা বলা বা রাতে সব কাজ শেষে ঘুমে সময় নষ্ট করে লম্বা কথা বলার সুযোগ নাও হতে পারে। তাই বলে কি দুজনের মাঝে কথা বন্ধ থাকবে? তাও কি হয়! বিশেষজ্ঞরা বলেন যত বেশি কথা তত বেশি একে অন্যকে জানার সুযোগ। তাই কথা চালিয়ে যেতে হবে। সারাদিন ছোট ছোট বার্তা আদান প্রদান চলতেই পারে। এভাবে দিন শেষে অনেক কিছুই জেনে নেওয়া যাবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম: বর্তমানে অনেকেই ভালোবাসার মানুষকে খুঁজে পাচ্ছেন ফেইসবুকে, টুইটারে, কোনো ব্লগ সাইট ইস্ট্রোগ্রাম এমনকি ইউটিউবেও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেন এখন নতুন ভালোবাসার দেবতা। তবে এই যোগাযোগের মাধ্যমের মধ্য দিয়ে পরিচয় এবং যোগাযোগ হওয়া সব দিক দিয়েই ভালো। একজন মানুষের সম্পর্ক একটা গভীর ধারণা তার ইন্টারনেটের জীবন থেকে পাওয়া সম্ভব। তাই যখনই কারও সঙ্গে বন্ধুত্বের চেয়েও একটু বেশি কিছু অনুভূত হওয়া শুরু করবে, একটা চোখ খোলা রেখে তার জীবনযাপন লক্ষ করে যেতে হবে। 

ঠকবাজের পাল্লা থেকে নিজেকে রক্ষা করা: সম্পর্কের ঘটকালি করে এমন ওয়েবসাইটগুলো অনেক সময় নিজেদের কাজ অব্যাহত রাখার জন্য কিছু নকল মানুষকে ভাড়া করে। তাদের কাজ হচ্ছে সঠিক মানুষ খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত আপনাকে তাদের সাইটে আটকে রাখা। এই গর্হিত ঘটনার স্বীকার হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচাতে চাইলে দেখা সাক্ষাত করার আগে পছন্দের মানুষ সম্পর্ক ভালো করে জেনে নিতে হবে।

দেখা করার প্রস্তাব কার থেকে প্রথমে আসবে: দেখা করার প্রস্তাব কে প্রথমে দেবে এই নিয়ে দুজনের মধ্যে অনেক দ্বিধা দ্বন্দ্ব দেখা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারীরে মনে করেন পুরুষের দিক থেকেই প্রস্তাব আসা ভালো। অন্যদিকে পুরুষেরা ভাবে আগ বাড়িয়ে বেশি আগ্রহ দেখালে মানুষ হালকা ভাবে নিতে পারে।

এই টানা-পোড়নে সম্পর্কের উষ্ণতা কমতে থাকে। দেখা করার প্রস্তাব কোন দিক থেকে এল এটা কোনো বিষয় না। যখন মনে হবে সবকিছু সঠিক পথে চলছে তখন দেখা করে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

Similar Articles

Leave a Reply

Top