You are here
Home > খেলা > কলকাতাকে কাঁদিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

কলকাতাকে কাঁদিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

য়ের জন্য লক্ষ্য মাত্র ১০৮ রান। টি-টোয়েন্টিতে একেবারে মামুলি লক্ষ্যমাত্রা। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মতো দলের জন্য আরও সহজ। বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে কেকেআরের বিপক্ষে এই লক্ষ্যমাত্রা পার হতে কোনো বেগ পেতে হয়নি রোহিত শর্মার দলকে। ১৪.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ওপেনার লেন্ডল সিমন্সের উইকেট হারায় মুম্বাই। ১১ রানে প্রথম উইকেটের পর ২৪ রানে পতন ঘটে দ্বিতীয় উইকেটের। ফেরেন পার্থিব প্যাটেল। ৩৪ রানে ফিরে যান আম্বাতি রাইদু। এরপরই জুটি বাধেন রোহিত শর্মা আর ক্রুনাল পান্ডিয়া। এই দু’জনের ৫৪ রানের জুটিই মুম্বাইয়ের জয় ত্বরান্বিত করে।
২৪ বলে ২৬ রান করে রোহিত শর্মা আউট হয়ে গেলেও ৩০ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। শেষ দিকে আপন ভাই হার্দিক পান্ডিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ২৩ রানের জুটি গড়ে মুম্বাইকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ক্রুনাল। হার্দিক করেন ৯ রান।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে জ্বলে উঠতে পারল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের ব্যাটসম্যানরা। টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং পারফরমেন্স উপহার দিয়ে আসার পর কোয়ালিফাইং রাউন্ডে এসে ব্যর্থ নারিন-ক্রিস লিন-গৌতম গম্ভীররা।

ফলে মুম্বাইর বোলারদের সামনে পুরো ২০ ওভারই খেলতে পারলো না শাহরুখ খানের দল। ১৮.৫ ওভারে অলআউট হয়েছে ১০৭ রানে। ক্রিস লিন ৪ রান করে, সুনিল নারিন ১০ রান করে আউট হয়ে যান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে গম্ভির ১২, উথাপ্পা ১, জাগ্গি ২৮, গ্রান্ডহোম শূন্য, সুর্যকুমার যাদব সর্বোচ্চ ৩১, পিযুশ চাওলা ২, নাথান কাউল্টার নেইল ৬, উমেষ যাদব ২, এবং অঙ্কিত রাজপুত আউট হন ৪ রান করে।

মুম্বাইর বোলারদের মধ্যে ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন করণ শর্মা নেন ৪ উইকেট। ৩ ওভারে ১ মেডেন এবং ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন জসপ্রিত বুমরাহ। মিচেল জনসন ২৮ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট।
শাহরুখ খানের দল কেকেআরকে বিদায় করে দিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে মুম্বাই। ২১ মে, হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আইপিএল দশম আসরের শিরোপা লড়াইয়ে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসের মুখোমুখি হবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

Similar Articles

Leave a Reply

Top