You are here
Home > ক্যাম্পাস > চৈতী বিয়োগে কেঁদেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।

চৈতী বিয়োগে কেঁদেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।

প্রকৃতির নিয়ম বলে, মানুষ মাত্রই মরণশীল। সবাইকে একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু কোনো কোনো মৃত্যু যে শূন্যতার সৃষ্টি করে তা কখনও পূরণ হবার নয়। তেমনই একজন আফিয়া জাহিন চৈতী, যিনি অনেক স্বপ্ন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। ভর্তির পর পাঁচ মাস না পেরোতেই তাকে চলে যেতে হলো না ফেরার দেশে। আফিয়ার পরিবার, সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিযোগ, তার মৃত্যুর কারণ রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালের চিকিৎসকদের অবহেলা।

চৈতী বিয়োগে কেঁদেছে তার বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। শোকাহত সহপাঠীরা এখনও ফিরেননি শ্রেণিকক্ষে। চিকিৎসকের অবহেলায় সম্ভাবনাময় এক স্বপ্নের তিরোধানে হতবাক হয়েছে পুরো জাতি।

আফিয়া জাহিন চৈতী কেমন মেধাবী ছাত্রী ছিলেন তা বলেছেন তার বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম। প্রিয় ছাত্রীর ভালো ফলাফলের কথা বলতে গিয়ে তার চোখের কোনায় অজান্তেই পানি চলে আসে। তিনি বলেন, ‘প্রথম বর্ষের প্রথম তিনটি ইনকোর্স পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চৈতী যে ফলাফল করেছে তা প্রমাণ করে, বাংলাদেশ এক সম্ভাবনাময় প্রতিভাকে হারিয়েছে, যা কখনও পূরণ হবার নয়। সে ছিল ক্লাসে নিয়মিত ও মনোযোগী। পরীক্ষায়ও পেয়েছে অভাবনীয় সাফল্য।’

তার বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য মতে, প্রথম বর্ষের মাত্র তিনটি কোর্সের ইনকোর্স পরীক্ষায় ১৭ দশমিক ৫০ পূর্ণমানের মধ্যে সবকটিতেই পেয়েছেন ১৬ এর উপরে। ১০৩ নম্বর কোর্সের ইনকোর্সে অংশ নিয়ে ১৭ দশমিক ৫০ পূর্ণমানের মধ্যে পেয়েছেন ১৬ নম্বর। ১০৪ নম্বর কোর্সেও একই পূর্ণমানের মধ্যে পেয়েছেন ১৬ দশমিক ২৫। আর ১১০ নম্বর কোর্সে একই পূর্ণমানের মধ্যে পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১৭ দশমিক ২৫, যা চৈতীকে সর্বোচ্চ মেধাবীর স্বীকৃতি দেয়।

এছাড়া বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য মতে, ১০টি কোর্সের ক্লাসেও ছিল চৈতীর সর্বোচ্চ উপস্থিতি। কোনো কোর্সে ৯০ শতাংশের নিচে উপস্থিতি নেই। সবকটিতেই ৯০ থেকে ৯৮ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিতি ছিল।

Similar Articles

Leave a Reply

Top